ধর্মীয় কাজে একে অন্যের কল্যাণকামী হওয়া।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ

মুহতারাম/মুহতারামা :

রামাদ্বান মাস সমাগত।এটি কুরআন নাযিলের মাস।তাই প্রতিটি সচেতন মুসলিমের কর্তব্য হলো কুরআনের বেশি বেশি খিদমাত করা।বড় সৌভাগ্যবান সেই মুসলিম যিনি কুরআনের শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রচার-প্রসারে নিজেকে সর্বাধিক নিয়োজিত রাখেন।যিনি বরকতময় কুরআনের সাথে নিজেকে সর্বদা সম্পৃক্ত রাখতে পারেন তিনি তাঁর জীবনকে বরকতময় করে তোলেন যেমনটি রামাদ্বান মাস খোদ বরকতময় কুরআনের কারণে এবং যেমনটি লাইলাতুল ক্বাদার খোদ বরকতময় কুরআনের কারণেই।

এটি সত্য যে বিশ্ব জুড়ে সচেতন মুসলিমরা কুরআনের সর্বাত্মক খিদমাত অহরহ জারি রেখেছেন।সব দেশেই কিছু নিবেদিত প্রাণ,সচেতন মুসলিম আপ্রাণ চেষ্টা ও তদবির করে যাচ্ছেন কুরআনের সব ধরনের খিদমাতের জন্য।তদুপরি এটি অনস্বীকার্য যে, বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম ঘরের সদস্যদের দিকে তাকালে সহজেই বুঝতে পারবেন যে সেখানে কুরআন সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অবহেলাই বেশি।আজ হয়তো কুরআনের জানা-শুনা বেশি হচ্ছে কিন্তু প্রকৃত পক্ষে কুরআনকে মানার ক্ষেত্রে অনীহা ও অবজ্ঞাই বেশি।আর যার নির্ধারিত প্রতিফল হচ্ছে—সারা বিশ্বের মুসলিম আজ সমষ্টিগত ভাবে নির্যাতিত, নিপীড়িত,লাঞ্ছিত,অপমানিত।

এর আসল কারণ হচ্ছে কুরআনের শিক্ষা-দীক্ষা থেকে এখনো বেশির ভাগ মুসলিমই বহু দূরে সরে রয়েছে।আর এজন্য কুরআনের শিক্ষা-দীক্ষার ব্যাপক প্রচার-প্রসার প্রয়োজন।

অপরদিকে অনেক মানুষ অভাব-অনটন অথবা বিভিন্ন কারণে কুরআনের শিক্ষা-দীক্ষা থেকেও বঞ্চিত। সচেতন ও সামর্থবান মুসলিমদের এসবের প্রতিও যত্নশীল হওয়া দরকার।যাতে করে আল্লাহর দরবারে আমাদেরকে যেন এজন্য জিজ্ঞাসিত হতে না হয়।

নাসীহা ফাউন্ডেশন শুরু থেকে এ ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।শিক্ষা-দীক্ষার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক ও সাময়িক বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রোগ্রাম করে যাচ্ছে।

বিশেষ করে রামাদ্বান ভিত্তিক একটি সর্বজনীন ইসলামী শিক্ষা-কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রি’তে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে পরিচালনা করা হচ্ছে যা খুবই উপকারী ও উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে।এবং স্থানীয় ভাবে খুবই প্রশংসনীয় হচ্ছে।আমরা এ কার্যক্রমকে আরো এগিয়ে নিতে চাই এবং প্রসারিত করতে চাই আর এজন্য আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি ।

ধীরে ধীরে আমরা এই জনপ্রিয় প্রোগ্রামকে আরো গতিশীল এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দিতে নিয়াত করেছি এবং আমরা আশাবাদী যে এ ক্ষেত্রে আপনাদের দুআ, পরামর্শ এবং সহযোগিতা সবসময় পাবো।

সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ব্যবধান যতই থাকুক আমরা চাই আপনাদের দুআ ও সুনজর সর্বদা থাকুক।আর ধর্মীয় কাজে একে অন্যের কল্যাণকামী যেন হতে পারি।

নিবেদক—

নাসীহা ফাউন্ডেশনের পক্ষে-

হাবীব নূহ ও

মুফতি শামীম মোহাম্মাদ

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like these